ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিকেল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য আপনার সম্ভাবনার দ্বার খুলুন!

১০০০০+

স্টুডেন্ট

২+

ইন্সট্রাকটর

৯+

কোর্স

০+

বই

কৃতিশিক্ষার্থী

০১ তম

মোঃ সিয়াম ইসলাম

দিনাজপুর সরকারি সিটি কলেজ, দিনাজপুর

B Unit

বর্ণ রোলঃ ২৫৩০২৮

০৭ তম

দিপাঙ্কর বার্মন

ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ, লালমনিরহাট

B Unit

বর্ণ রোলঃ ২৫৩৩৯৩

০৯ তম

মোঃ হিবজুর রহমান

বগুড়া সরকারি কলেজ, বগুড়া

B Unit

বর্ণ রোলঃ ২৫২৩৫৮

শিক্ষার্থীদের অভিমত

এডমিশনে যেটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ সেটা হলো সঠিক গাইডলাইন। বর্ণে সাইফুর ভাই আর সুমি আপু যেভাবে আমাদের নিয়ে বসেছেন, আমাদের গাইডলাইন দিয়েছেন, হতাশ হতে দেননি, এগুলোই ছিলো অনুপ্রেরণা। যতবারই সাইফুর ভাইয়ের সাথে বসেছি, উনি বলেছেন যদি লেগে থাকতে পারো, ঢাবি হবে ইনশাআল্লাহ। বর্ণে স্মার্ট ফোন নিষিদ্ধ। আর শুধু এ কারনেই ঘন্টার পর ঘন্টা ফোনে সময় ব্যয় করা আমিও একটা সময় গিয়ে বাটন ফোনে বাসায় কথা বলার সময় মনে হতো সময় নষ্ট করছি না তো? বর্ণের প্রত্যেকটি শিক্ষক, কর্মচারী সকলেই ছিলো অত্যন্ত বন্ধুসুলভ ও আন্তরিক। তারা ক্লাসগুলো যথার্থভাবে নিতে পেরেছেন বলেই অনেক ঘাটতি পূরণ করতে পেরেছি, সাফল্য অর্জন করতে পেরেছি। ডেইলি, উইকলি, মডেল টেস্ট, সুপার মডেল টেস্ট এতো এতো পরীক্ষা দিয়েছি বলেই পরীক্ষার ভয় কেটে গিয়েছিল এবং প্রতিটা ভর্তি পরীক্ষা স্বাভাবিকভাবেই দিয়েছি, নার্ভাস হইনি। আলহামদুলিল্লাহ, সবকিছু মিলিয়ে সফল হয়েছি।

সুমাইয়া আক্তার লিমা

শিক্ষার্থী ২০২৫ ব্যাচ

ভর্তি পরীক্ষার যাত্রায় একটা ভালো গাইডলাইন খুবই গুরুত্বপূর্ণ যেটা বর্ণ এডমিশন কেয়ার থেকে পেয়েছি।সাইফুর রহমান ভাই,শাকিল আনোয়ার স্যার,সুমি আপুরসহ অন্যান্য আপু-ভাইদের কাউনসিলিং ছিল সেরা।বর্ণের শিক্ষকগণের ক্লাসগুলো ছিল খুব সুন্দর। আমার জেলা থেকে হয়তো আমিই প্রথম যে বর্ণে কোচিং করেছি।বর্ণে গিয়ে কোচিং না করলে হয়তো আমার অবস্থা খুব শোচনীয় হতো।আল্লাহ আমাকে নিরাশ করেনি।আমার শুরু থেকে যতটা পড়া উযদি তোমার ভালো কিছু অর্জন করার ইচ্ছে থাকে,পরিশ্রম করার মানসিকতা থাকে,তাহলে বর্ণে কোচিং করতে এসো।আল্লাহর রহমতে খালি হাতে ফিরবে না ইনশাল্লাহ।চিত ছিল,আমি ততটা পড়িনি বা পড়তেও পারিনি।বর্ণের ১৩ঘন্টার পরীক্ষা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।

ফাতিমা নওমী

শিক্ষার্থী ২০২৫ ব্যাচ

Borno Admission Care ভর্তি হতে গিয়ে অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্বে পরেছি।শেষ পর্যন্ত এক বুকভরা সাহস, দুচোখ ভরা স্বপ্ন , অনেক আশা নিয়ে Borno তে ভর্তি হয়েছিলাম। কিন্তু এই সিদ্ধান্তটা ভুল ছিল না।Borno এর কোচিং , হোস্টেল সার্ভিস সর্বোপরি ভালো। সব মিলিয়ে আমার ভাগ্য সহায় হওয়ায়, আমি ব্যর্থ হইনি। আমি চোখ- মুখ ভরা হাসি নিয়ে বাড়ি ফিরেছি। আমার সাফল্য সমূহ : DU:1152(B unit), RU:713(A unit), JU:183(C unit), JnU:11(D unit)

মোছাঃ শারিফা আক্তার নিপু

শিক্ষার্থী ২০২৫ ব্যাচ

বর্ণে এসে পরিশ্রম করলে কেউ খালি হাতে ফেরে না। আর বিস্তারিত শুনতে চাইলে -প্রথমত আমি যখন বর্ণে বি১ ক্যাটাগরিতে বৃত্তি পাই তখন অনেক দ্বিধা দ্বন্দ্বে ছিলাম বর্ণে আসবো কি আসবে কি আসবো না। কারণ আমরা অনেকেই এডমিশন কোচিং বলতে ফার্মগেট বিভিন্ন নামকরা কোচিং গুলোকেই চিনি। আমিও সেই দলেই ছিলাম। কিন্ত বিভিন্ন বড় ভাই ও আপুর পরামর্শ পারিবারিক অর্থনৈতিক কথা চিন্তা করে সাহস নিয়ে বর্ণেই আসি। আমি তেমন ভালো ছাত্র ছিলাম না। মোটামুটি পড়ালেখা করতাম কিন্তু নিয়মিত ছিলাম না। ফোনের প্রতিও ছিল আসক্তি। কিন্তু বর্ণে আসার পরে পড়ালেখা করার জন্য একটা ভালো পরিবেশ পাই। তাছাড়াও বোনের যে ভাইয়াগুলা ক্লাস নিতো এক কথায় অসাধারণ আর সাইফুর ভাইয়ের গাইডলাইন তো আছেই। তাই কেউ যদি বর্ণে আসতে চাও, তাহলে পরিশ্রম করার মন মানসিকতা নিয়ে নিশ্চিন্ত মনে চলে আসতে পারো আমি খালি হাতে ফিরিনি আশা করি তোমরাও ফিরবে না।

দুর্জয় কুমার বাসফোর

শিক্ষার্থী ২০২৫ ব্যাচ

স্মার্টফোনের প্রতি আমার প্রবল আসক্তির কারণে বর্ণের গার্লস হোস্টেল যেন আমার জীবনে আশীর্বাদ হয়ে আসে। এই পাঁচ মাসে যতটুকু পড়াশোনা করতে পেরেছি, তার বড় কারণ ছিল স্মার্টফোন থেকে দূরে থাকা। আমি বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হয়েও বর্ণের কেবল বিভাগ পরিবর্তন (ঢাবি ‘খ’) কোর্সটি নিয়েছিলাম। এই কোর্সের শিক্ষকদের পাঠদান পদ্ধতি সত্যিই অসাধারণ ছিল। আজ আমি যেখানেই চান্স পেয়ে থাকি, তার বড় একটি অংশের কৃতিত্ব আমি বর্ণকেই দেব। কারণ, আমি জানি, অন্য কোথাও থাকলে হয়তো স্মার্টফোনের আসক্তির নিচেই হারিয়ে যেতাম। খুব মিস করি বর্ণকে।

ছামছি আমিন সাবা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আমার উচ্চ শিক্ষার কোনো ইচ্ছাই ছিলনা। আর এটাই হলো হয়ত আমার জীবনের বড় একটা পিছুটান। কারণ কোনো কিছুতে সফলতা পেতে হলে আগে পাক্কা নিয়ত লাগে। যাইহোক কলেজ লাইফে সারাদিন ছোট বাচ্চা ও কোচিং এ পড়িয়ে বেড়াতাম। তাই নিজের পড়াশোনার বেসিক হারিয়ে ফেলি। জিরো বেসিক ও এক বুক সাহস নিয়ে বর্ণ তে ভর্তি হই। কিন্তু বোর্ড রেজাল্ট এ ফেইল করে বসি। বাবার পরামর্শে তবুও কোচিং চালিয়ে যাই। আমাদের কলেজে ২৬জন ফেইল করে। আমার বাবা মা এর দোয়ায় আল্লাহর রহমতে বোর্ড চ্যালেঞ্জ করি। আমাদের কলেজে আমার একার রেজাল্ট পাস হয়ে আসে। কিন্তু কোথাও পরীক্ষা দেয়ার যোগ্যতা থাকলোনা( 3.17)। মনে চাপলো অন্তত একটা কিছু করার। সত্যি বর্ণ একটা অসাধারন যায়গা। Saifur Rahman ভাই এর পরামর্শে নার্সিং করার সিদ্ধান্ত নেই এবং নাসিং এ চান্স পাই। অন্যের ভুল থেকে শিখো,,নিজের ভুলের খেসারত অনেক বড়ও হতে পারে।

মোঃ রাইফ মুনতাসির

সরকারি নার্সিং কলেজ

জুনিয়ারদের একটা কথাই বলবো কোন কিছুর উপরে আশাটা যেন বেশি না করে তাহলে নিরাশায় বেশি ভুগবে। সেটা যেকোনো ক্ষেত্রেই। আর বর্ণের ব্যাপারে তো অনেক শুনছো তারপরেও বলছি বর্ণ বর্ণই।আমার কাছে বর্ণই বেস্ট। বিশেষ করে Saifur Rahman ভাইয়ের গাইডলাইন যা সত্যিই অতুলনীয়। তিনি আমাকে বলছিল আমার মনে আছে তোমার এক পা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুধু একটা ভালো পজিশন অর্জন করার চেষ্টা করো। উনি রিপোর্ট কার্ডে এটা লিখে দিছিল এবং সিগনেচার করে দিয়েছিল। আজ সেই রিপোর্ট কার্ডটা দেখে ভাবলাম আমিও কিছু বলি। এই রিপোর্ট কার্ডটা ধরে নিতে পারো তোমার এডমিশন জার্নির আমলনামা। তাই এই রিপোর্ট কার্ডের উপর যত্নবান হওয়া জরুরী। বর্ণের উপর ভালোবাসা অসীম।আমি চির কৃতজ্ঞ সাইফুর ভাইয়ের গাইড লাইন এর। ডিপ্রেশন এডমিশনের অঙ্গ। কতবার ডিপ্রেশনে ভুগেছিলাম সাইফুল ভাইয়ের পরামর্শ নিতাম মনে অনেক সাহস পেতাম এবং ভালো কিছু করার আরো বেশি স্বপ্ন দেখতাম।

মোঃ সিফাত বিন ওসমান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

এইচএসসি পরীক্ষার পর এডমিশন কোচিং করতে বর্ণ এডমিশন কেয়ারে ভর্তি হই। ঢাকাতে আসার আগে মনে ভয় ছিল, কোথায় যাচ্ছি? পড়াশোনা কেমন হবে? কিন্তু এখানে এসে কিছুদিন যাওয়ার পর মনের ভয় কেটে গেল। এখানকার ডিসিপ্লিন, পড়াশোনা, পরীক্ষার ব্যবস্থা, হোস্টেল ব্যবস্থা সবকিছুই অন্যান্য কোচিং এর তুলনায় আলাদা ছিল। তাছাড়া পরিচালক Saifur Rahman ভাইয়ের এবং চেয়ারম্যান আপুর কাউন্সিলিং যে কতটা হেল্পফুল ছিল তা বোঝানো অসম্ভব। জুনিয়রদের বলে রাখি এটা কোন তথাকথিত কোচিং সেন্টার নয়। এখানে আসলে অবশ্যই অন্যান্য কোচিং এর তুলনায় তুমি বেশি উপকৃত হবে। আমি যখন ভর্তি হই তখন মনে হয়েছিল আমি কি পারব? আমার দ্বারা কি হবে? তবে দিনশেষে আমি খালি হাতে ফিরিনি!!

নিত্যানন্দ রায়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

আসসালামু আলাইকুম। আমি মুসফিরাত জাহান। কলেজ:ঠাকুরগাঁও সরকারি কলেজ। বর্ণ রোল: ৩০৫১।আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহ তায়া’লার অশেষ রহমতে, বাবা-মা ও শিক্ষকদের দোয়ায় আমি এবছর ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে, ঢাবি (B) - ২০১৪ তম,জাবি (C)- ১১৭তম এবং রাবি (A) ইউনিট এ ২৬৮ তম স্থান অর্জন করেছি।বর্ণের ক্লাসগুলো ছিল অসাধারণ যা আমাদের কঠিন পড়াগুলোকে সহজ করে দিয়েছে।ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই বর্ণ এডমিশন কেয়ারকে আমাদেরকে এত সুন্দরভাবে গাইডলাইন দেওয়ার জন্য।

মুশফিরাত জাহান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

গাইড লাইন (পরিচালক)

একাধিকবার জিজ্ঞাসায়িত প্রশ্ন

আবাসিক সুবিধা আছে কি?

শিক্ষকের ক্লাস রেটিং কেমন?

৮ এর নিচে রেটিং থাকলে কি করা হয়?

বর্ণ ছাত্র/ছাত্রীর পড়াশোনার অবস্থা কিভাবে নিরুপণ করে?

সবচেয়ে পিছেয়ে থাকা ছাত্রটিকে বর্ণ কেমন গুরুত্ব দেয়?

ক্লাসে পড়াশেষ না করে শিক্ষক কি ব্যক্তিগত ব্যাচে পড়ায়?

কোন সিলেবাস পড়াবেন?

এক্সামে নেগেটিভ মার্কিং আছে কিনা?